পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষের নাম এবং তার পরিচয় জেনে নিন

পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে, কি তার পরিচয় এবং কোন মানুষটি পৃথিবীর সবচাইতে খারাপ মানুষ তাদের পরিচয় সম্পর্কে আপনি কি তা জানতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেলটি একমাত্র আপনার উদ্দেশ্যে লেখা।

পৃথিবীর-সবচেয়ে-ভালো-মানুষ-কে

এই পৃথিবীর সবথেকে শ্রেষ্ঠ মানুষ আবার সবথেকে খারাপ মানুষ কে বা কারা আসলে এই বিষয়গুলি অনেকেই জানতে চাই তবে আপনিও যদি তাদের মত জানতে চান তাহলে অবশ্যই এই পোষ্টটি একদম শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।

পোস্ট সূচিপত্রঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে

আসলে যে বিষয়টি আমাদের প্রত্যেকেরই জানা উচিৎ তা হল পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে। আর এই বিষয়ে হাজারো হাজার ওয়েবসাইটে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নভাবে তথ্য দিয়ে মানুষকে ধারণা দেওয়া হয়েছে। তবে আমি প্রত্যেকটি মানুষের সেই ধারণাকে আরও নিখুত ও নির্ভূল করার জন্য এবং সঠিক ও সত্য বিষয়টি

যেন প্রত্যেকেই জানতে পারে তাই আল্লাহ প্রদত্ত পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া একেবারেই বাস্তব ও সত্য ঘটনা থেকে তথ্য নিয়ে আমি আজকের এই আর্টিকেলে তুলে ধরলাম। তাহলে চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক সেই সত্য ঘটনাগুলো কি। প্রথমেই আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিই যে, পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে? আসলে পৃথিবীর একমাত্র

আরও পড়ুনঃ 313 জন শ্রেষ্ঠ সাহাবীর নাম - পুরুষ সাহাবীদের নামের তালিকা অর্থসহ

ভালো মানুষ হল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ পৃথিবীর মহানায়ক চির চরিত্রবান যার সততা সত্যবাদিতা আমানতদারিতা দেশপ্রেম ও উদারতা সকল দিক দিয়েই যিনি ছিলেন সবার থেকে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ, যাকে আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি না করলে সৃষ্টি হতনা ফেরেস্তারাজি, আসমান ও জমিন এবং আসমান ও জমিনের মধ্যে যা কিছু আছে এবং সৃষ্টি হতামনা আমরা।

যাকে আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ায় প্রেরণ করেছিলেন মানুষকে সরল ও সঠিক পথ দেখানোর জন্য এবং ইসলাম প্রচার ও পবিত্র কালেমাকে সকলের মাঝে পৌছে দেওয়ার জন্য। যিনি ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে বারবার কাফেরদের দ্বারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। যিনি তার আমানতদারিতা ও বিশ্বস্ততার কারণে কাফেররাই তাকে আল-আমিন ‍উপাধি দিয়েছেন।

এবং যিনি তার জীবদ্দশায় একটিও পাপ করেননি। তিনি আর কেউ নই তিনি হলেন আমার নবী আপনার নবী সকলের নবী এবং নবীদের নবী আল্লহর প্রিয় হাবীব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)। একজন ভালো মানুষকে নির্ণয় করা হয় তার সকল চরিত্রগুণে এটাইতো স্বাভাবিক। এবার আপনি নিজেই একটু ভাবুনতো, দুনিয়াতে এমন

কোন মানুষ ছিলেন বা এখনও আছেন যিনি জীবনে একটিও পাপ কাজ করেননি এবং কোন দিন কারো কাছে একবারও আমানতের খেয়ানত করেননি। হ্যাঁ, অনেক শ্রেষ্ঠ মানুষ আছেন যারা পৃথিবীতে জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন তবুও হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর মত নন। তাহলে এবার আপনি আপনার বিবেক দিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুনতো,

যার চরিত্র ছিল একদম সাদা ফুলের মত যিনি জীবনে কোন দিনও পাপ কাজ করেননি এবং যার জন্যে জাহান্নামের আগুন হারাম করা হয়েছে তার মত ভালো মানুষ দ্বিতীয় কে হতে পারে। আর কেনইবা আমরা তাকে ভালো মানুষ বলে গণ্য করবনা।

পৃথিবী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার মত ভালো মানুষ হওয়ার যোগ্যতা আর দ্বিতীয় কেউ রাখেনা এটিই হল একেবারে সত্য ও বাস্তব ঘটনা। আশা করি আমার কথাগুলো আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষের পরিচয় জেনে নিন

ইতোমধ্যে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ কে তা নিয়ে আলোচনা করেছি এবার আমি তার পরিচয় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) পৃথিবীর সবথেকে ভালো মানুষ ছিলেন এমনকি থাকবেন। তার আগমনের পূর্বে আরব দেশে যেই যুগটি ছিল তা হল আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগ। সেই যুগে মানূষ যখন

আরও পড়ুনঃ আয়ান নামের অর্থ কি - আয়ান নাম রাখা যাবে কি

বিভিন্ন পাপ কাজ অপকর্ম ও অন্ধকারে অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল ঠিক তখনই আল্লাহ তার প্রিয় হাবীবকে অর্থাৎ মুহাম্মদ (সঃ) কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার জন্য। তিনি ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্ম গ্রহণ করেন। তার উপনাম ছিল আবুল কাশেম। তার পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং

পৃথিবীর-সবচেয়ে-ভালো-মানুষের-পরিচয়

মাতার নাম আমেনা এবং দুধ মাতা ছিলেন হালিমাতুস সাদিয়া। তার দাদা হলেন আব্দুল মুত্তালিব এবং চাচা আবু তালিব। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জন্মের পূর্বেই তার পিতা আব্দুল্লাহ ইন্তেকাল করেন এবং জন্মের ৫ বছর পর মা আমেনা ইন্তেকাল করেন। পিতা-মাতার ইন্তেকালের পর তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব তাকে লালন-পালনের দায়িত্ব নেন

এক পর্যায়ে দুধমাতা হালিমাতুস সাদিয়া নিয়ে গিয়ে লালন-পালন করেন। যেহেতু তিনি ছিলেন একজন নবী তাই মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ করেন অতঃপর ইসলাম প্রচার করেন। এবং ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে মাত্র ৬৩ বছর বয়সে তিনি চির নিদ্রায় শায়িত হন। তবে একটি কথা মনে রাখবেন নবীগণ কখনো মরেন না তারা কবরেও জীবিত রয়েছেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ কে

পৃথিবীর সবচাইতে খারাপ মানুষ কে এই বিষয়ে আমি যদি একজনকে উল্লেখ করে বলি তাহলে হয়তো ভুল হবে কারণ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে খারাপ মানুষের তালিকায় বেশ কয়েকজন মানুষ রয়েছে যারা আল্লাহর কাছে সবচাইতে নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত এবং পৃথিবীতেই তাদেরকে জাহান্নামের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে-

ফেরাউন

ফেরাউনের নাম যার কথা না বললেই নয় ফেরাউন ছিলেন প্রাচীন ইজিপ্টের একজন বাদশা যিনি জানতেন যে তারও একজন সৃষ্টিকর্তা আছে কিন্তু তারপরেও তিনি নিজেকে খোদা ভাবতেন। কারণ যদি কেউ তাকে খোদা বলতেন তাহলে তিনি অনেক খুশি হতেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি প্রাচীন মিশরে তার শাসন ব্যবস্থা চালিয়ে গিয়েছেন এবং

সেখানকার জনগোষ্ঠীর ওপর রীতিমতো অনেক অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতন করে গিয়েছেন। তিনি ছিলেন একজন নির্যাতক,নিপীড়ক ও অত্যাচারী বাদশা। যখন তার অত্যাচারের সীমা অতিরিক্ত হয়ে যায় ঠিক তখনই আল্লাহতায়ালা হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে প্রেরণ করেন তার অত্যাচার ও নির্যাতন থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য।

শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাকে নীল নদে ডুবিয়ে মেরে ফেলেছেন যার মৃতদেহ আজ পর্যন্ত মিশরের জাদুঘরে রেখে দেওয়া হয়েছে একটি নিদর্শন স্বরূপ এবং কেয়ামত পর্যন্ত তার দেহকে একটি পোকা পর্যন্তও স্পর্শ করবে না এটি আল্লাহর আদেশ যেন মানুষ তাকে দেখে বুঝতে পারেন যে তিনি ছিলেন একজন জাহান্নামী ও অত্যাচারী বাদশা অতঃপর আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করেন।

নমরুদ

পৃথিবীর ইতিহাসে নমরুদও ছিল একজন অত্যাচারী শাসক যারা দীর্ঘ সময় ধরে মুসলিমদের প্রতি অনেক অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতন করে গিয়েছেন যা আল্লাহর কাছে মোটেও কাম্য ছিল না তাই আল্লাহ তাদেরকে পৃথিবীতেই জাহান্নামের সংবাদ দিয়ে দিয়েছেন। তাই সবচেয়ে খারাপ মানুষের তালিকায় নমরুদের নামও পড়ে।

আবু জেহেল

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর সময়ে আবু জেহেল ছিলেন একজন বড় মাপের অত্যাচারী বাদশা তিনি কখনোই মুসলিম জাতির প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং পবিত্র কালেমা ও ইসলামকে বিলুপ্ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু তার প্রচেষ্টা আল্লাহ ব্যর্থ করে দিয়েছিলেন। হযরত সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহার মতো

আরও পড়ুনঃ মুসলিম ছেলেদের আধূনিক ও ইসলামিক নাম অর্থসহ

আল্লাহ প্রেমিক নারীর প্রতিও অনেক নির্যাতন করেছিলেন তার অন্তর থেকে আল্লাহর ভালোবাসা ও কালেমাকে মুছে ফেলার জন্য। কিন্তু আবু জেহেলের শত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে আবু জেহেল সমগ্র গোষ্ঠীর সামনে সুমাইয়া রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহাকে উলঙ্গ অবস্থায় বল্লমের আঘাতে হত্যা করেন একপর্যায়ে সেখানে তিনি শহীদ বরণ করেন যার কারণে

আল্লাহ তাকে সেখানেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। এমনকি বেলাল (রাঃ) কেও ইসলামের থেকে দূরে রাখার জন্য তার প্রতি অকঠ্য অত্যাচার করে গিয়েছেন। মরুভূমির রৌদ্রতিক্ত বালুর উপরে তাকে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখেছিলেন তারপরেও তাকে ঈমানের পথ থেকে এক পাঁ পর্যন্তও পিছে সরাতে পারেননি। এরকম নিকৃষ্ট অত্যাচারী ও খারাপ ব্যক্তি জাহান্নামী ছাড়া আর কি বা হতে পারে বলুন।

আবু লাহাব

আবু লাহাব ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচা তিনিও ছিলেন একজন খারাপ ব্যক্তি আল্লাহ তাআলা তাদের অন্তরে এমন ভাবে মোহর মেরে দিয়েছিলেন যে, তার মৃত্যুর সময় তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কালিমা পড়তে বলেছিলেন কেয়ামতের দিন তার সুপারিশদ্বার হওয়ার জন্য কিন্তু তিনি পড়েননি।

কারণ মৃত্যুর সময় আল্লাহ তার মুখ ও অন্তর মোহর দ্বারা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তবে এরূপ নিকৃষ্ট ও খারাপ ব্যক্তিদের পথ অনুসরণ করে বর্তমান পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে ইহুদি জাতিরা মানুষদের প্রতি নানা অন্যায় অত্যাচার জুলুম-নিপিড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমানে যারা শ্রেষ্ঠ খারাপ মানুষের তালিকাভুক্ত হয়ে পড়েছেন। প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ

আল্লাহ তায়ালার ১৮ হাজার মাখলুকাতের মধ্যে মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত অর্থাৎ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন আর সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে নিজেই একজন মানুষ হয়ে যে ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির উপর অন্যায় অত্যাচার জুলুম ও তাকে হত্যা করতে পারে প্রকৃতপক্ষে তাকেই পৃথিবীর সবচাইতে খারাপ মানুষ বলে গণ্য করা যায়।

পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নাম কি তা জেনে নিন

আমরা অনেক সময় প্রশ্ন করে থাকি যে পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নাম কি। আসলে এটি একটি জানার বিষয় এবং আমাদের অনেকের মাঝে প্রশ্ন জাগে যে পৃথিবীতে কোটি কোটি নাম আছে কিন্তু এই কোটি কোটি নামের মধ্যে কোন নামটি সবচাইতে শ্রেষ্ঠ বা ভালো নাম হতে পারে । দেখুন আল্লাহর নিকট সবচাইতে উত্তম এবং ভালো নাম হলো

পৃথিবীর-সবচেয়ে-শেষ্ঠ-নাম-কি

আব্দুল্লাহ, ও আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ, এছাড়াও আরো অনেক নাম আছে যে নামগুলো আল্লাহর কাছে সব থেকে প্রিয়। যদি আমাদের সৃষ্টিকর্তার কাছে এই নাম গুলি সব থেকে প্রিয় হয় তাহলে পৃথিবীতে কেন এই নামগুলি শ্রেষ্ঠ হবে না। তাই এই নামগুলোই পৃথিবীতে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নাম। আর নাম সম্পর্কে আপনি যদি

আরও তথ্য পেতে চান তাহলে এই ওয়েবসাইটে নাম সম্পর্কে অনেক আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে যে আর্টিকেলগুলো থেকে আপনি আপনার পছন্দের নাম এবং সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নাম সম্পর্কে জানতে পারবেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো ধর্ম সম্পর্কে জানুন

আপনি যদি প্রশ্ন করে থাকেন যে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো ধর্ম কোনটি তাহলে আমি আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলব পৃথিবীর সব থেকে ভালো ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। কারণ, ইসলাম শব্দের অর্থ হল শান্তি আর ইসলাম ধর্মের মাধ্যমেই জীবনে শান্তি খুঁজে পাওয়া যায় যা অন্য কোন ধর্মে পাওয়া যায় না। পৃথিবীতে অনেক ধর্ম আছে কিন্তু সকল ধর্মের চাইতে

ইসলাম ধর্ম আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একটি ধর্ম যে ধর্মের কারণে যুগে যুগে আল্লাহ তাআলা লক্ষ লক্ষ নবী ও রাসূল প্রেরণ করেছেন মানুষদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার জন্য। এই ইসলামকে টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক সাহাবীগণও শহীদি বরণ করেন। আজ বিশ্বে লক্ষ লক্ষ মানুষ অন্যান্য ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন কারণ

মানুষ আস্তে আস্তে বুঝতে পারছেন যে ইসলাম ধর্মই হল পৃথিবীর সবচাইতে শ্রেষ্ঠ ধর্ম যে ধর্মে রয়েছে অনাবিল শান্তি যে ধর্মের মাধ্যমে জান্নাত পাওয়া যায় যা অন্য কোন ধর্মে পাওয়া যায় না। পৃথিবীতে একটি ধর্মের মানুষই জান্নাতে যাবে আর সেটি হলো ইসলাম ধর্ম। তাই পৃথিবীতে সবচাইতে শ্রেষ্ঠ ও ভালো ধর্ম হলো ইসলাম।

পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধর্ম গ্রন্থের নাম কি

এই আর্টিকেলে ইতোমধ্যে আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধর্মের নাম জেনেছি এবার আমরা জানবো যে পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থের নাম কি। আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে ১০৪ খানা আসমানী কিতাব নাযিল করেছেন বিভিন্ন নবীদের ওপর এর মধ্যে ১০০ খানা ছোট এবং ৪ খানা বড় তবে বড় চারখানা আসমানী কিতাব হল

  • (১) তাওরাত
  • (২) যাবুর
  • (৩) ইঞ্জিল
  • (৪) কুরআন

তাওরাত নাযিল করা হয় হযরত মূসা আলাইহিস সালাম এর উপর, যাবুর নাযিল করা হয় হযরত দাউদ আলাইহিস সাল্লাম এর উপর, ইঞ্জিল নাজিল হয়েছে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম এর উপর এবং শেষ যে কিতাবটি নাজিল হয়েছে সেটি হল আল কুরআন যা নাযিল হয়েছে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ এর উপর। যেহেতু এটি হল শেষ জামানা এবং

এর পরে আর কোন জামানা আসবেনা কোন নবী বা রাসূল ও প্রেরণ করা হবেনা এবং কোন আসমানী কিতাবও নাযিল করা হবেনা। এরপরেও যদি কেউ নবী বলে দাবি করেন তাহলে তাকে ভন্ড নবী বলে গণ্য করা হবে এবং তার ঠিকানা হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। আর আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ নবী হলেন তার প্রিয় হাবীব

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই তিনি তার প্রতি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও উত্তম একটি ধর্মগ্রন্থ নাযিল করেন তা হল আল কুরআন যা শেষ জামানার প্রত্যেকটি মানুষের জন্য হেদায়েত স্বরূপ তাই আল কুরআনই হল পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ। আশা করি আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নের উত্তরটি পেয়ে গিয়েছেন

লেখকের শেষ কথাঃ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষের নাম কে

শেষ কথাই বলতে চাই এই আর্টিকেলে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষের নাম এবং পরিচয় এবং তার প্রতি নাজিল হওয়া ধর্মগ্রন্থের নাম ও শ্রেষ্ঠ ধর্মের নাম এবং পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ কে বা কারা সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। আশা করি আপনি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তরগুলি পেয়ে গিয়েছেন। এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে

আপনি যদি একটুও জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন বলে মনে করেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনি আপনার বন্ধুদের নিকট শেয়ার করতে পারেন। এবং এই ওয়েবসাইট থেকে পাবলিশ হওয়া নতুন তথ্য গুলো পেতে ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে পারেন এবং তথ্যগুলো সবার আগে পেতে ওয়েবসাইটটি ফলো করে রাখতে পারেন 💙(ধন্যবাদ)💙

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

গ্রীনল্যান আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url